চট্টগ্রামের সবজি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দেশে

চট্টগ্রামের সবজি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দেশে

ট্টগ্রামের সবজি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দেশে

vegetables,cruciferous vegetables,roasted vegetables,low carb vegetables,root vegetables,fruits and vegetables,green vegetables,starchy vegetables,    roasted root vegetables,vegetables list,best vegetables,oven roasted vegetables.
ঝিঙে,শিম,শসা,পটল,শাক,৫৯ রকমের সবজি রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে। 

৫৯ পদের সবজি উড়ে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে তা,ও আবার চট্টগ্রাম থেকে।গত তিন মাসে ৭০০ টনের চেয়ে বেশি সবজি রপ্তানি হয়েছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মাধ্যমে। চট্টগ্রামে রয়েছে হরেকরকমের সবজি তবে দেশের সবজির বড় বাজার হচ্ছে ইউরোপের দেশের। 


বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়ার সবজির মধ্যে বেশি রয়েছে গ্রীষ্মকালীন সবজি।তার মধ্যে রয়েছে কয়েকটি সবজি হলো সাতকরা,জলপাই, লেবু,শিম,বরবটি,কাঁকরোল,তিতকরলা,শসা,ঝিঙে,পটল,কচু,ইত্যাদি রকমের সবজি প্রায় ৫৯ পরদের।শীতের মৌসুম ডোকতে না ডোকতেই শীতের সবজিও বেশ ভাল রপ্তানি হয়েছে। 


বাংলাদেশ সবজি রপ্তানিকারক প্রতিষ্টান এবং চট্টগ্রাম বিমানবন্দর শাহ আমানত এর সূত্রে জানা যায় 


এছাড়া বাংলাদেশর সবজির বড় বাজার দেশগুলোর মধ্যে বেশ কিছু দেশেও সবজি রপ্তানি হয়ে থাকে।তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য,মালেসিয়া,কানাডা,সুইডেন,জার্মানি,ওমান,ফ্রাস্ন,বাহরাইন আরো রয়েছে তার মধ্যে কুয়েত,সৈদি আরব,কতার সংযোক্ত আবার আমিরাত,যুক্তরাষ্ট্রের, ইউরোপসহ ইত্যাদি দেশে বাংলাদেশ সবজি রপ্তানি হয়।



চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের স্ক্যানারে মাধ্যমে চালান করা হচ্ছে বিদেশে সবজি।বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে,বিগত তিন মাশের মধ্যে প্রায় ৭০৪ টন সবজি বিদেশে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে এর রাজস্ব দাড়ায় ২ লাখ ৩২ হাজার ২৫০ টাকা। এই রাজস্ব আয় সরকার খাতে প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলছে।


শৈবাল কান্তি নন্দী বলেন,আমাদের দেশে সবজি রপ্তানি বন্ধ ছিল মহামারি কারণে। কিন্তু গত সাত সেপ্টেম্বর থেকে আবার নতুন করে রপ্তানি শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সকল সবজি রপ্তানি হচ্ছে আমাদের দেশ থেকে।এছাড়া গত নবেম্বর  ১৭৭ টন সবজি,অক্টোবরে ২৭৪ টন,সেপ্টেম্বরে ২৫৩ টন,মোট সেপ্টেম্বর থেকে নবেম্বর পর্যন্ত ৭০৪ টন সবজি বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। 



 বিগত ২০১৭ এবং ২০১৮ অর্থবছরে প্রায়  দুই হাজার ৪৫ টন বিভিন্ন দেশে সবজি রপ্তানি হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সেটা বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৯৬ টন আর এ খাতে রাজস্ব আয় হয় ৯ লাখ ১ হাজার ৭৩৪ টাকা।এছাড়া গত বছরে নভেম্বরে ২৫০ টন,অক্টোবরে ৪০৭ টন,সেপ্টেম্বরে ৩১৬ টন বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে।এই সকল সবজি চট্টগ্রাম থেকে রপ্তানি হয়েছে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে।


বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ধরণের সবজি যেমন,জলপাই, লেবু,বরবটি,শিম,কাঁকরোল,কচুর লতি,পটল,কচু,শসা,ঝিঙে,তিতকরলা,কাউ,ইত্যাদি হরক রকমের আমরা রপ্তানি করছি বলতে গেলে ৫৯ পদের সবজি।বিষয়টি নিশ্চিত করেন, আমানত বিমানবন্দরে সবজি রপ্তানিকারকের প্রতিনিধি লিটন চৌধুরী।এর ফলে দেশের শিল্প রপ্তানি করাতে দেশের মুনাফা বৃদ্ধি হচ্ছে। 


চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নিয়োজিত কাস্টমস কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে ফ্লাই দুবাই, এয়ার এরাবিয়া ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্যাসেঞ্জার ফ্লাইটে সবজি পাঠানো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে। করোনার কারণে এতোদিন বন্ধ ছিল সবজির চালান। এবার কিছু কিছু যাচ্ছে।’


তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের আরও ব্যবসায়ী যদি এগিয়ে আসেন, তাহলে ফ্লাইটে এ ব্যবসার আরো বিস্তৃতি ঘটবে। তবে ফ্লাইটে সবজি পাঠানোর ক্ষেত্রে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়,আমাদের শেশের ব্যবসায়ী যদি এগিয়ে আসে আমাদের অর্থনৈতিক আরো উন্নত হবে। বিদেশে আমাদের বাজার কদর আরো বেড়ে যাবে।সকল ব্যবসায়ী উচিত এই কাজে এগিয়ে আসা।


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন