জেনে রাখুন শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি এবং বিভিন্ন রোগ

জেনে রাখুন শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি এবং বিভিন্ন রোগ

 জেনে রাখুন শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি এবং বিভিন্ন রোগ

বাংলাদেশ শিশু স্বাস্থ্য ই,শিশু স্বাস্থ্য,child health research foundation,women and child health right presentation,child health rights,child health research foundation chrf,child health,institute of child,
শিশুর স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিভিন্ন উপকারী দিক নিয়ে কিছু কথা।

শিশুর স্বাস্থ্য কে ঠিক রাখতে হলে তাদের নিয়মিত পুষ্টিকর খারাপ খাওয়াতে হবে।দৈনিক খাবারের তালিকায় থাকতে হবে শক্তিবৃদ্ধিকারী খাবার।পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে মৌসুমি শাকসবজি ফলমূল পুষ্টির মধ্যে অন্যতম।খাবারে থাকা পুষ্টি ভিটামিন, খলিজ উপাদান শিশুর শরীরে যা।

১ঃঅধীকহারে শিশুর শরীরে শক্তি যোগায়। 

২ঃ সকল কিছুতে মনোযোগ বৃদ্ধি করে।

৩ঃসকল ধরনের রোগ থেকে শিশুর শীররকে রক্ষা করে।

৪ঃ শিশুর দাঁত এবং চোয়াল শক্ত করে।


শিশুদের স্বাস্থ্য উন্নতির দিকে নেওয়ার জন্য অবশ্যয় বাহিরের খাবার থেকে তাদের দূরে রাখতে হবে।ফাস্টফুড এবং চিনিযুক্ত খাবার একে বারে খাওয়ানো যাবে না।নিয়মিত শাকসবজি ফলমূল এসবের মাধ্যমে শিশুদের মনোবল ফিরে আসবে।


শিশুস্বাস্থ্য

অতিসারঃ এটি সাধারণত একটি বাচ্চাদের রোগ।এটি হলে বাচ্চাদের পেট ব্যাথা,জ্বর,কালো বা রক্তাক্ত পায়খানা হয়ে থাকে এর সাথে বমি হয়।শিশুদের এই রোগ হয় হজমের সমস্যার কারণে বা বেশি ফলের রস খাওয়ার কারণে।যদি এটি ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিয়ন্ত্রণ না আসলে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

 

জ্বরঃ মানুষের শরীরের তাপমাত্রা নিয়মের চেয়ে  বেড়ে যাওয়াটাকে জ্বর বলা হয়।জ্বর অনেক কারণে হতে পারে। সাধারণত জ্বর নিয়ে খুব একটা চিন্তা করার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু, এটি চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে, যদি


১ঃ যদি আপনার ৬ মাসের ছোটো শিশুর তাপমাত্রা ১০১ᵒF থেকে বৃদ্ধি পায়।


২ঃযদি ১০০.৪ᵒF থেকে ছাড়িয়ে যায় আপনার ৩০ মাসের শিশুর শরীরের তাপমাত্রা। 

 

৩ঃ আপনার ছোট শিশুর যদি কান্না থামানো না যায়।              


জ্বর কমানোর বিশেষ মাধ্যম হলো কাপড় ভিজিয়ে বাচ্চার কপালে লাগিয়ে দেওয়া।এছাড়া যদি বাচ্চাদের এর সাথে আমাশা, বমি, কাশি এই গুলা দেখা দেয় তাহলে সমস্যা হয়ে দাড়াতে পারে তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 

 
কোষ্ঠকাঠিন্যঃ 

এটি পানি এবং ফাইবার বাচ্চাদের কম দেওয়ার কারণে হয়ে থাকে।এই রোগটি চেনবার উপায় হলো,পায়কানা সাথে রক্ত ও পায়কানা করতে বাচ্চার কষ্ট হবে।প্রতিদিন খাবারের পর অবশ্যয় ১ গ্লাস পানি খাওয়াতে হবে।শিশুর যদি পেট ফুলে যায় এর সাথে বুমি হয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।


ঘাঃ শিশুদের শরীরে বিভিন্ন কারণে ঘা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ডাইপারের কারণে ঘা হতে পারে।তাই সব সময় এটি পরিবর্তন করা উচিত। একজিমা বা এলার্জি হলে সবান ব্যবহার করা বন্ধ রাখুন এবং এর পাশাপাশি ক্রিম ব্যবহার করুন। আর বাচ্চার ত্বকে ময়শ্চারাইজিং ক্রিম লাগানা।


কাশিঃ 

সাভাবিক ভাবে শিশুদের জ্বর হলে এর সাথে কাশি দেখা দিতে পারে।কাশি হলে আদা রসুন দিয়ে আপনার শিশুকে হালকা গরম পানি খেতে দিন।এছাড়া চার বছর থেকে বড় এমন শিশুদের গরম পানির সাথে এক চামচ মধু দিতে পারেন।বিশেষজ্ঞদের মতে,যে কোন ছোট বাচ্চাদের ঔষধ খাওয়ানো উচিত না সর্দির এই গুলা তাদর কাজ করে না এর বিপরীতে আরো ক্ষতি করে পেলে।


পেট ব্যাথাঃ 

পেট ব্যাথা শিশুদের নতুন কোন খাবার খেলে হতে পারে।এটি একটা সাধারণ রোগ তেমন ভয়ের কোন বিষয় না।এটি হলে কোন চিন্তার ব্যাপার না।পেট ব্যাথা হয় সাধারণ ভাবে রিফ্লাক্স,শূলবেদনা,নতুন খাবার সাথে ইনফেকশনের কারণে।


দাঁতব্যথাঃ আপনার বাচ্চার ৬ মাস বয়স থেকে দাঁত গজাতে থাকবে। মাড়ি থেকে যখন দাঁত ফুঁড়ে ওঠে, তখন বাচ্চার খুব ব্যাথা হতে পারে।শিশুদের দাঁত শক্ত করার জন্য নিজের হাতের আঙ্গুল বা রাবারের রিং চিবাতে দিতে পারেন


গ্যাস্ট্রিকঃ 

শিশুদের পেটে গ্যাস হওয়াটা সাধারণ বিষয়। প্রতিদিন খাবার খাওয়ানোর পর আপনার বাচ্চার পিটে হাত দিয়ে মালিস করে দিন।বাচ্চার ঢেকুর না আসে পর্যন্ত এমন মালিস করেন।এছাড়া খাবার মাঝখানে ঢেকুনি তুলতে পারেন।যদি ফর্মুলা ব্যবহার করে থাকেন তাহলে বেশি ঝাঁকাবেন না। এতে গ্যাস বাবেলস জমে যেতে পারে আরো বেশি।


বন্ধ নাকঃ 

বাচ্চাকে সব সময় হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করাবেন।এছাড়া নাক পরিষ্কার করার জন্য নুন জলের ফোটা ব্যবহার করবেন।তাছাড়া শিশুদের সর্দি হলে যদি সেই বাচ্চা ৪ বছরের নিচে হয় তাহলে সর্দির ঔষুধ খাওয়ানো উচিত না।


বমিঃ 

শিশুদের বমি হলে তা কমানোর জন্য বেশি করে পানি খাওয়াতে হবে।তবে বমি হলে টেনশনের কিছু নাই এটা একটা সাধারণ রোগ।


ডায়রিয়াঃ 

আপনার বাচ্চার পায়খানা হঠাৎ নরম হওয়া মানেই কিন্তু ডায়রিয়া নয়, তা নিয়ে চিন্তিত হওয়ারও তেমন কিছু নেই। তবে এই পরিবর্তন যদি এমন হয়,ডায়রিয়া লক্ষণ হলো জ্বর অতিরিক্ত কান্না করা,ইত্যাদি। এছাড়া যদি অতিরিক্ত পায়কানা করে পায়কানা পানির মত তরল হয় তাহলে এটিও ডায়রিয়া লক্ষণ হতে পারে।


কানের ইনফেকশনঃ

 শিশুদের যত রোগ হয় তার মধ্যে থেকে জটিল রোগ হচ্ছে কানের সমস্যা। সবাই এটিকে সাধারণ রোগ বলে বিবেচনা করে এবং কোন ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করে না।তাই সকল পিতা মাতা এটি নিয়ে অবহেলা করে থাকে।কিন্তু আপনি কি জানের এটি কোন নরমাল বিষয় না এটি একটি জটিল সমস্যা। এটি ছোট থেকে অনেক বড় আকার ধারণ করতে পারে।এটি আপনার সন্তানকে সারাজীবন এর জন্য বধির করে দিতে পারে।


দাউদঃ 

দাউদ প্রথমে সবার কাছে লাল,খসখসে ছোঁপের মত দেখা দেয়।এটি মানুষের হয়ে থাকে ফাঙ্গাসের জন্য। দাউদ বল পায় মানুষের শরীরের মৃত চামড়া,চুর আর নখ থেকে।এটি ধিরে ধিরে লাল বিত্ত হয়ে আকার ধারণ করে এবং বৃদ্ধি পেতে থাকে।


চিকেন পক্সঃ এই রোগটি আজকাল খুব একটা দেখা যায় না ভ্যাকসিনেশনের জন্য। এই রোগটি খুবই ছোয়াচে। চিকেন পক্স হলে সারা গায়ে লাল লাল ফোস্কা হয় এবং তাতে খুব চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়। এই ফোস্কাগুলো সময়ের সাথে ফেটে যায়, তারপর আস্তে আস্তে শুকিয়ে গিয়ে খসে পরে।


একজিমাঃ 

একজিমা এটি সবার হয়ে থাকে ছেট বড়।সাধারণ যাদের সেনসিটিভ ইমিউন সিস্টেম আছে তাদের এই রোগ হয়।পুরু ঘা, শুকনো ত্বক ও তীব্র চুলকানি হলো এই রজার চিহ্ন। এটি বড়ো হবার সঙ্গে সঙ্গে সেরে যায়।


হামের লালচে ফুসকুড়ি বা ছোপঃ এই হালকা রোগ ৬ মাস থেকে ২ বছরের বাচ্চাদের হয়। প্রথমে বাচ্চার ঠান্ডা লাগে, যার সাথে সাথে কয়েকদিন ধরে জ্বর হয়। এই জ্বর হঠাৎ সেরে যায়। তারপর বুক, হাত ও পায়ে ঘা দেখা দেয়।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন