বুকে ব্যাথা কেন হয় জেনে রাখুন এবং বুকে ব্যথা মানেই হার্টের সমস্যা নয়

বুকে ব্যাথা কেন হয় জেনে রাখুন এবং বুকে ব্যথা মানেই হার্টের সমস্যা নয়

 বকে ব্যাথা কেন হয় জেনে রাখুন এবং বুকে ব্যথা মানেই হার্টের সমস্যা নয়

গ্যাস্ট্রিক বুকে ব্যাথা,বুকে ব্যাথা,chest pain,chest pain in right side,left chest pain,pleuritic chest pain,right side chest pain,chest pain that comes and goes,chest pain right side,sharp pain in chest,icd 10 code for chest pain,dull chest pain,burning chest pain,acid reflux chest pain,what causes chest, atypical chest pain,gerd chest pain,can anxiety cause chest pain,stabbing pain in chest,chest pain when breathing deeply,pain on left side of chest,    chest pain when breathing,female chest pain left side,anxiety chest pain,left chest pain.
বুকের ব্যাথা হলে তা থেকে মুক্তি পেতে কি করনীয় 

বুকের ব্যাথাকে আমরা সাধারণত অ্যানজিনা পেইন বলে চিনে থাকি এটি মানুষের হয়ে থাকে হার্টের সমস্যার কারণে।তাছাড়া অনেকেই মনে করেন এটি বুকের বা পাশে হয়ে থাকে কিন্তু তা নয় এটি ঠিক বুকের মাঝখানে হয়ে থাকে।রক্তস্বল্পতা কারণে মানুষের যে ব্যাথাটি হয়ে থাকে ঐ টা এক জায়গায় থাকে না।শরীরের বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করে যেমন, কখনো কখনো পিঠের পেছনে আবার চোয়াল,গলা,বাম বাহুত ইত্যাদিতে ছড়িয়ে পড়ে।এই রোগ হওয়া রোগী গুলো সব সময় বলে থাকে কেউ বুকে চেপে ধরছে এবং তাদের মধ্যে অস্বস্তি ভাব দেখা যায়।


হার্টের ব্যথার অন্যতম কিঢ়ু বৈশিষ্ট্য  রয়েছে তার 

মধ্যে কয়পটি হলো,চলাফেরা করার সময় অনেক কাজে সিঁড়ি ভাঙতে হয় তখন ব্যথা তীব্রতর হতে থাকে এবং বিশ্রাম নিলে ব্যথা অনেকটা কমে আসে বুকের ব্যাথা আগের থেকে। মানুষের বিভিন্ন ধরণের টেনশন থাকে বেশি পরিমাণের টেনশন করলে এবং এক সাথে  বেশি পরিমাণ খাবার গ্রহণ করলে বুকে ব্যাথা আসতে পারে। তাছাড়া ঠাণ্ডা বাতাসের কারণেও অনেকের এ রকমের ব্যথা বাড়তে পারে। হার্টের সমস্যায় বুকে ব্যথার পাশাপাশি ঘাম দিতে পারে শরীরে, বমি বমি ভাবও এবং  বমি হতে পারে।কিন্তু এটির জন্য ভয় না করে তাড়াতাড়ি ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


 পেটের আলসার ও বুকে ব্যথাঃ

হাইপার এসিডিটি বা পেটের আলসার বা পেপটিক আলসারের সমস্যাকে সাধারণ মানুষ গ্যাস্ট্রিক বলে থাকেন।গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায়ও বুকে ব্যথা হতে পারে। এ ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝবরাবর নিচের দিকে অনুভূত হয়।যখন মানুষের রোগ বেড়ে যায় তখন এর বিস্তার করতে শুরু করে।তবে এটি হার্টের ব্যাথা নয় কারণ এই সকল রোগ রেনিটিডিন বা ওমিপ্রাজল গ্রুপের ওষুধ খেলে অল্প সময়ে সেরে যায়। এটি হার্টের সমস্যা হলে এই ঔষধ দিয়ে কাজ করত না।


বুকের হাড় ও মাংসের সমস্যা এবং বুক ব্যথাঃ

যাদের শরীর দূর্বল তাদের হাড় দূর্বল থাকে কেন ভারি কাজ করলে বুকে সমস্যা দেখা দিতে পারে।বুকের বিতর আর্থ্রাইটিস এবং হাড়ে আঘাত লাগলে বুকে ব্যথা হয়। এ ছাড়া বুকের মাংসে আঘাত লাগলে বুকে ব্যথা হতে পারে।এই রকম সমস্যা যাদের হয় তাদের নড়াচড়া করলে আরো বেড়ে যায়।এর প্রতিষেধক হিসাবে ঔষধ গ্রহণ করলে কমে যায়।এছাড়া অনেক আছে ভারী কাজকর্ম করে তাদেরও এই সমস্যা সম্মুখীন হতে পারে।শখের জন্য অনেক মানুষ আছে যারা ব্যায়াম করে প্রথম প্রর্যায় তখন মানুষ ব্যায়াম করলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাড় ও মাংস নড়াচড়া কারণে ইনফেকশন হয় তাই এমন সৃষ্টি হয়। এটির জন্য বিশ্রাম নিলে, ব্যথার ওষুধ খেলে এ জাতীয় ব্যথা অল্প সময়ে সেরে যায়।


 খাদ্যনালির সমস্যা ও বুকে ব্যথাঃ

মানুষের খাদ্যনালির সমস্যা হলে বুকে ব্যথা হতে পারে।এর কয় একটি দিক রয়েছে যেমন,খাদ্যনালির স্পাজম,খাদ্যনালির ইনফেকশন এই সকল কারণে বুকে ব্যথা হয়। বেশির ভাগ ছেলে মেয়েরা চিত হয়ে শুয়ে থাকতে পছন্দ করে।যাদের বুকের সমস্যা রয়েছে তারা যদি চিন হয়ে শুয়ে থাকে তাদের খাওয়া এবং পানি খাওয়ার পর ব্যাথা অনুভব হয়।সাধারণ ভাবে এই ব্যাথা সকলের চোখে রক্তস্বল্পতাজনিত বুকে ব্যথার মতোই  মনে হয়।এছাড়া দেশের অর্ধশতাংশ মানুষ ব্যায়াম করে এর জন্য  অনেক সময় বুকের ব্যাথা বেড়ে যেতে পারে।


শ্বাসনালির সমস্যা ও বুকে ব্যথাঃ

বর্তমান সময়ে অ্যাজমা ও হাঁপানি এই দুইটি রোগ অনেক মানুষের মধ্যে দেখা যায়।অ্যাজমা ও হাঁপানির কারণে মানুষের শ্বাসনালিতে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।এর পাশাপাশি বুকের ব্যাথা দেখা যায় বুক ভর ভর মনে হয়।কিন্তু এই সকল ব্যাথা একটু শুয়ে থাকলে কমে আসে।এছাড়া হার্টে রক্তস্বল্পতাজনিত ব্যথার সাথে এই ব্যাথার অর্ধশতাং মিল রয়েছে। মানুষের বুকের মাঝখানে ব্যাথার পাশাপাশি বুকে চিঁ চিঁ এক রকমের শব্দ অনুভব হয় এর সাথে থাকে হালকা কাশি।একি সাথে আরো সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন,ক্যান্সার,যক্ষ্মা ও নিউমোনিয়া এর চেয়ে জটিল রোগ ফুসফুসে পানি ঢোকা।


 দুশ্চিন্তার সঙ্গী বুকে ব্যথাঃ

মানুষের নিত্য সঙ্গী টেনশন,যারা সব সময়

টেনশন করে তারা বুকে অন্যরকম একটি চাপ উপলব্ধি করতে পারে।এটি দূর করার উত্তম কাজ হলো রাতে ভালো করে ঘুম যাওয়া।ঘুম হলে এটি তাড়াতাড়ি সেরে যায়। তাই মানুষের এই রকমের সমস্যা এড়াতে যতটুকু সম্ভব দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন ঘড়ে তোলা। টেনশনের সবচেয়ে খারাপ দিক হলো, আগে থেকে হার্টের সমস্যা থাকলে টেনশনে তা আরও বেড়ে যায়।এছাড়া অনেক সময় শুনা যায় ছোটদের বুকে ব্যাথা করতেছে। এটি ছোদের হওয়ার কারণ হলো তারা পরীক্ষা নিয়ে চিন্তা করে,এছাড়া নিঃসঙ্গ অবস্থা,স্কুলভীতি,ভীতি বোধ,অনিশ্চয়তা এই সকল কিছু তাদের মধ্যে কাজ করে তাই এই সমস্যা দেখা যায়।অতি স্বাস্থ্য সচেতনতা মানুষের বিপদ বয়ে আনে।একটু সমস্যার সম্মুখীন হলে কি না কি করবে খুঁজে পায় না।কোন ডাক্তারকে দেখাবে মেডিসিন না হার্ট স্পেশালিস্ট নাকি সবচেয়ে বড় স্পেশালিস্ট কে।এমন করতে করতে হারিয়ে পেলে কি করবে কি করলে ভালো হবে এবং কোন খারাপ।এই কারণে অতিবিলম্বে ডেকে নিয়ে আসে বিপদ,এরি সাথে তো আছেই লোকজনের অনাবশ্যক বাড়তি উপদেশ তো আছেই। তবে বুকের ব্যথা একেবারে মামুলি বিষয় নয়। মাথায় পানি ঢেলে অথবা বুকে তেল মালিশ করে যে সমস্যাটি দূর হবে, তা-ও নয়। এ জন্য অযথা অস্থি্থর না হয়ে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন