মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্দেশ্য দেশের সমুদ্র সম্পদকে অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাবেন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্দেশ্য দেশের সমুদ্র সম্পদকে অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাবেন

 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্দেশ্য দেশের সমুদ্র সম্পদকে অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাবেন

উত্তরা গণভবন,গণভবন,টেক্সটাইল ইঞ্জি,ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জি,sheikh hasina,sheikh hasina university,prime minister sheikh hasina,sheikh hasina photo,sheikh hasina png,sheikh hasina age,sheikh hasina university admis,sheikh hasina pic,netrokona sheikh hasina university,sheikh hasina photo png,sheikh hasina picture,sheikh hasina hd photo,sheikh hasina medical,sheikh hasina hd,sheikh hasina full photo,sheikh hasina hd,sheikh hasina net worth,bongobondhu sheikh hasina,bongobondhu sheikh hasina,sheikh hasina award,mother of humanity sheikh, sheikh hasina bangla,sheikh hasina facebook,prime minister sheikh,age of sheikh hasina,prime minister sheikh hasina,,শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা ছবি,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা png photo,শেখ হাসিনা hd,জননেত্রী শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা সেনানিবাস,শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়,শেখ হাসিনা png photo,শেখ হাসিনা জন্মদিন,শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু    ,বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা,ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনা ছবি hd।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 

গতকাল রোববার (১৫ নবেম্বর) গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মধ্যে দিয়ে কোস্টগার্ড সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,আমাদের দেশের সমুদ্র সম্পদকে অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজে লাগাতে  হবে দেশকে আরো উন্নত করতে হবে।এই সময় তিনি  কোস্টগার্ডের ৯টি জাহাজ ও একটি ঘাঁটির কমিশনিং দেন।তিনি আরো বলেন আমাদের সব সময় দূর্যোগের সাথে মোকাবিলা করে চলতে হবে এবং তার সাথে যুদ্ধ করার জন্য সকল ধরণের প্রস্তুতি নিতে হবে।এ সময় প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্যর কথা বলে তিনি বলেন,কোস্টগার্ডকে সকল দায়িত্ব পালনে সক্ষম করে তুলতে হবে এবং এর পাশাপাশি একটি আধুনিক বাহিনী হিসাবে তৈরি করার উদ্দেশ্য পথ চলতে হবে।জাহাজের কমিশনিং ও বিসিজি বেস ভোলার উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় এ কথা বলেম।


তিনি বলেন সমুদ্র মাধ্যমে চোরাচালান, উপকূলীয় অঞ্চলের রক্ষা, মাদক বিরুদ্ধী সংগ্রাম করা,সামুদ্রিক জলসীমার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা,মৎস্য সম্পদ রক্ষা,উপকূলীয় মানুষের জন মাল রক্ষা করা,এর পাশাপাশি সমুদ্রের ডাকাতকে রক্ষা করতে হবে এবং দিন দিন কোস্টগার্ডের ভূমিকা বেড়ে চলছে তাদের প্রকৃতিক দূর্যোগ সাথেও যুদ্ধ করতে হবে।সমুদ্র পথে মা ইলিশ ধরা থেকে রক্ষা করা ও জাটকা নিধন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাদের।এছাড়া  বিগত প্রায় ১২ বছরে কোস্ট গার্ডে’র জন্য বিভিন্ন আকারের ৫৫টি জাহাজ ও জলযান নির্মাণ করা হয়েছে।তিনটি প্রকল্পের আওতায় কোস্ট গার্ডের বেইসসমূহের কর্মকর্তা ও নাবিকদের বাসস্থান, অফিসার্স মেস, নাবিক নিবাস ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।তিনটি প্রকল্পের আওতায় কোস্ট গার্ডের বেইসসমূহের কর্মকর্তা ও নাবিকদের বাসস্থান, অফিসার্স মেস, নাবিক নিবাস ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পটুয়াখালী অঞ্চলে নিজস্ব প্রশিক্ষণ বেইস ‘এই বিসিজি বেইসের মাধ্যমে গার্ডের ক্ষমতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে।তাদের এই উন্নত জাহাজের মাধ্যমে উপকূল মানুষের অর্থ জান খুবই অল্প সময়ে নিরাপত্তা প্রধান করতে পারবে।তাদের শক্তি বৃদ্ধির জন্য এটি একটি অনেক বড় সুবিশাল উদ্বেগ সরকারের। 


তিনি কোস্টগার্ড সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, কোস্ট গার্ডের বিভিন্ন জাহাজ ও ঘাঁটি কমিশনিংয়ের মাধ্যমে এ বাহিনীর সক্ষমতা আজ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এসব জাহাজ ও ঘাঁটি কোস্টগার্ড সদস্যদের পেশাগত উৎকর্ষ,আজকের এই উদ্বেগ মানসিক বিকাশ এবং মনোবল আরো বাড়িয়ে তুলবে।এই সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রকে দলের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো.আশরাফুল হক অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন।তখন কমিশনিং ফরমান হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে থেকে।অনুষ্ঠানে তাদের কমিশনিং এর পক্ষ থেকে ৯ টি জাহাজ নিয়ে একটি ভিডিও সবার সামনে উপস্থাপন করা হয়।


শেখ হাসিনা বলেন,আমরা ২০১৪ সালে ইতালির সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলাম কোস্টগার্ডের জন্য কিন্তু এর ফল হিসেবে জি-টু-জি চুক্তির মাধ্যমে ইতালি সরকার নৌবাহিনীর জন্য চারটি করভেট প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের মাধ্যমে অফশোর প্যাট্রোল ভেসেলে রূপান্তরিত করে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড-কে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যার দুটি বিসিজিএস তাজউদ্দীন ও বিসিজিএস সৈয়দ নজরুল জাহাজ দু’টি ২০১৭ সালে তিনি কমিশনিং করেন।পাঁচটি ইনশোর প্যাট্রোল হলো,১-স্বাধীন বাংলা ২-সোনার বাংলা,৩-শ্যামল বাংলা,৪-সবুজ বাংলা এবং ভেসেল-বিসিজিএস


 ও অপরাজেয় বাংলা এবং দু’টি ফাস্ট প্যাট্রোল বোট বিসিজিএস সোনাদিয়া ও কুতুবদিয়া- আজ এ বাহিনীর বহরে যুক্ত হলো। ৯৬ পরবর্তী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে খুলনা শিপইয়ার্ড এবং নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডকে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের জন্যই আজকে দেশেই বিশ^মানের জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে বলেও সরকার প্রধান উল্লেখ করেন।


তিনি বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড ও খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিত আজকের কমিশনিং করা ইনশোর প্যাট্রোল ভেসেল এবং ফাস্ট প্যাট্রোল বোটগুলো। অর্থাৎ আমরা নিজেরাও তৈরি করতে পারি, সেটারই আজ আমাদের সকলের সমানে প্রমানিত হল। আজকে এটা আমাদের নিজেদের কাজে লাগছে এবং আমাদের দেশের শক্তি বাড়াল।তিনি আরো বলেন আগামীতে আমরা সেটা রফতানি করব বিদেশে।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন সকলের উদ্দেশ্য বলেন কোস্টগার্ড দলটি এমনিতে তৈরি হয়নি এবং এটি তৈরি পিছনে বিশেষ একটি ঘটনা রয়েছে। যখন কোস্টগার্ড হয় তখন আওয়ামী লীগ বিরুদ্ধী দল ছিল।সংসদে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সৃষ্টির জন্য সিদ্ধান্ত হিসাবে প্রস্তাব উত্থাপন করে।ইতোপূর্বে আনিত অন্যান্য সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের মতো এটিরও বিরোধিতা করে সংখ্যা গরিষ্ঠতার জোরে তা বাতিল করে দিতে চেয়েছিল বিএনপি। একটি পর্যায়ে আমরা দেখলাম সংসদে বিরোধী দলে থাকলেও সংসদে আমাদের উপস্থিতি বেশি ছিল এবং তখন তাদের সংখ্যা কম হওয়াতে এটি নিয়ে আলোচনা হয় সংসদে। এর পর এটিকে বাতিল করে দিতে চেয়েছিলেন তখন আমরা সাথে সাথে ডিভিশন ভোট দাবি করলাম


অনুষ্ঠানে বিডিও কনফারেন্সে তিনি বলেন,সংসদে তখন আমরা ডিভিশন ভোট দাবি না করলে কোস্টগার্ড সেই সময়-ই বাতিল হয়ে যেত।দেশের কথা ভেবে আওয়ামী লীগ সরকার তখন তাদের কথা মেনে নেয় নাই। তাদের দাবি মোতাবেক জাতীয় সংসদের স্পিকার তখন ডিভিশন ভোট করলে, ভোট গুণে দেখা গেল তাদের দলের সংসদ সদস্যই বেশি, কাজেই তাদের আনিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি পাস হলো। উপক‚লীয় নিরাপত্তায় আমাদের আনিত প্রস্তাবটি বিরোধী দলে থেকেও পাস করিয়ে আনাটা ছিল একটা বিরল ঘটনা।কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১৯৯৪ সালে কোস্টগার্ড তৈরি হয় এর সাথে এটি আইনেও লিপিবদ্ধ হয়।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, দূর্যোগের সাথে মোকাবিলা করতে পারে এমন এবং মানুষের জান মাল রক্ষা করতে পারে এমন হোভারক্রাফট দেওয়া হবে এর পাশাপাশি ড্রোন ও সব আবহাওয়ায় চলাচলের উপযোগী ৩ হাজার ৫০০ টন ক্ষমতা বিশিষ্ট জাহাজ যুক্ত করার কথা ভাবছেন তিনি। দুর্যোগের সঙ্গেই আমাদের বসবাস করতে হবে এবং সেই প্রস্তুতিও আমাদের থাকতে হবে। এ ছাড়াও বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড এবং খুলনাতে ১৬ টি বোট তৈরি করা হয়ে এর সাথে  একটি ফ্লোটিং ক্রেন এবং দুইটু ইনশোর প্যাট্রোল ভেসেল।কোস্ট হার্ডকে শক্তিশালী করতে আমরা এই সব তােদর সাথে যুক্ত করব।তাদের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ডকইয়ার্ডও নির্মাণ করা হচ্ছে গজারিয়ায়।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন